--------------------------------------------------------------------------------

সুবহানল্লাহ দিয়ে আবারও লাখো ভক্তের মন জয় করলেন নাশিদ শিল্পী ইকবাল এইচ জে!!

নাঈম হোসেন পলাশঃ পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে বর্তমান সময়ের ও তরুন প্রজন্মের সবচেয়ে প্রিয় এবং বরেন্য নাশীদ শিল্পী ইকবাল হুসাইন জীবন তার ভক্তদের জন্য উপহার দেন নতুন নাশিদ “সুবহানাল্লাহ”। ২০০০ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৯ বছর দেশে বিদেশে ইসলামী সংস্কৃতি নিয়ে বিরতিহীন ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আমেরিকান প্রবাসী ইসলামী নাশীদের যুবরাজ শিল্পী ইকবাল এইচ জে। উপহার দিয়ে যাচ্ছেন একের পর এক ব্যতিক্রমী মিউজিক ভিডিও। তারই ধারাবাহিকতায় পহেলা রমজানে “সুবহানাল্লাহ” শিরোনামের নাশীদটির মিউজিক ভিডিও প্রকাশ কার হয় শিল্পীর নিজের ইউটিউব চ্যানেলে।

দ্বিতীয় অ্যালবাম “শো মি দ্যা ওয়ে” থেকে নেয়া এ নাশীদটিতে শিল্পী নিজেই অভিনয় করেছেন ক্ষুদে শিল্পীদের নিয়ে। গানটিতে আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির নৈপুন্য উপস্থাপন করতে শিল্পী ইকবাল এইচজে সুদুর আমেরিকা থেকে সম্প্রতি মালয়েশিয়া আসেন এবং তার পুরো টীম গানটির শুটিং শেষ করেন। উল্লেখ্য, ভিডিওতে একঝাক শিশুশিল্পীদের পাশাপাশি তার কন্যা আয়েশা তারান্নুমকেও দেখা যায়। মাত্র কয়েকদিনেই ভিডিওটি সাড়া ফেলেছে তার লাখো ভক্তদের মাঝে। গানটির গল্পটি ছিল একটি অন্ধ শিশুর সর্বপ্রথম আল্লাহর সৃষ্টির নিদর্শণ অবলোকন নিয়ে। যাতে সর্বশেষ দেখা যায় শিশুটির অঝোরে কান্নার দৃশ্য, যা দেখে মহান রবের কৃতজ্ঞতায় শিশুটির সাথে কেঁদেছেন অগনিত মানুষ। যারা সুন্দর ও পৃথিবী দেখতে পান তারা শুকরিয়ার মস্তক অবনত করেছেন মহান রবের দরবারে।

নাশীদটির লিরিক প্রসঙ্গে তার এক ভক্ত কোরআন থেকে সমীক্ষা করে বলেন, আমি ইকবাল ভাইয়ার একজন নিয়মিত ফ্যান, তাঁর নাশিদগুলো আমার খুবই ভাল লাগে, সর্বশেষ নাশিদটিও অসাধারণ। আমি পবিত্র কোরআনের আয়াতের মর্মার্থের সাথে বেশির ভাগ অন্তরারই মিল পেয়েছি। কিছু কিছুতো হুবুহু কোরআনের ভার্সের মর্মার্থের সাথে মিল রয়েছে, তা গানটি শুনলেই বুঝা যায়। প্রিয় ভাইয়ার জন্যে অনেক বেশি শুভকামনা। পাবলিশ হওয়ার এভাবেই শুভকামনা এবং ভালবাসা জানান দেন শিল্পীর অগনিত ভক্তবৃন্দ।

গানটির প্রসঙ্গে শিল্পী ইকবাল বলেন, আমরা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অতুলনীয় সৃষ্টির কিছু সৌন্দর্য্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, শিশুদেরকে চমৎকার গল্প আর ভিজ্যুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে বিষয় গুলোকে আরও বাস্তবভিত্তিক এবং স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। বাকিটা এখন দর্শকদের উপর, আশা করছি সবারই ভাললেগেছে এবং ভাললাগবে। পাশাপাশি শিল্পী গানের নির্মাতা এবং কলাকুশলি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

জনপ্রিয় এ নাশীদটির মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন সময়ের জনপ্রিয় মিউজিক ডাইরেক্টর পারভেজ জুয়েল, ডিরেকশন দেন তরুন ফিল্ম মেকার এইচ আল বান্নাহ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এইচ এম মুহাম্মদ ও ভিডিওটি প্রডিউস করে এলান রেকর্ডস ইউ এস এ। গানটি বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়া যৌথভাবে শুটিং করা হয়।

Facebook Comments