--------------------------------------------------------------------------------

২১ গ্রন্থমেলা ২০১৯-এর বিস্তারিত তথ্য

ওয়াসিম এমদাদ: আগামীকাল (১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার) শুরু হতে যাচ্ছে বাংলা একাডেমি আয়োজিত ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯’। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বিকেল ৩:০০টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করবেন, একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি। সম্মানিত বিদেশি অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলা ভাষার প্রখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষ (ভারত) এবং প্রখ্যাত লেখক-সাংবাদিক ও গবেষক মোহসেন আল-আরিশি (মিশর)। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

গ্রন্থমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে SECRET DOCUMENTS OF INTELLIGENCE BRANCH ON FATHER OF THE NATION BANGABANDHU SHEKH MUJIBUR RAHMAN (VOLUME-2, 1951-1952)-এর মোড়ক উন্মোচন করা হবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত মোহসেন আল-আরিশি রচিত বইয়ের অনুবাদ-শেখ হাসিনা : যে রূপকথা শুধু রূপকথা নয় তুলে দেয়া হবে ।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী গ্রন্থমেলা পরিদর্শন করবেন।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯ উদ্বোধন অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞতিতে এ কথা জানানো হয়।

এছাড়া সংবাদ মাধ্যমের জন্য পাঠানো বাংলা একাডেমির আরেক সংবাদ বিজ্ঞতিতে তুলে ধরা হয় গ্রন্থমেলার বিস্তারিত তথ্য। সংবাদ বিজ্ঞতিতে প্রদেয় তথ্য নীচে দেয়া হলো।

মাসব্যাপী গ্রন্থমেলার বিস্তারিত তথ্য
এবারই প্রথমবারের মতো গ্রন্থমেলার স্টল বরাদ্দের ক্ষেত্রে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া চালু হয়, এ ধারা ভবিষ্যতে আরো বিস্তৃত হবে। গ্রন্থমেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং একাডেমি সম্মুখস্থ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ৩ লাখ বর্গফুট জায়গায়। অমর একুশে গ্রন্থমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশকে ৪টি চত্বরে বিন্যস্ত করা হয়েছে। একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫০টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৬২০টি ইউনিট; মোট ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭০টি ইউনিট এবং বাংলা একাডেমি-সহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৮০টি লিটলম্যাগকে ১৫৫টি স্টল দেয়া হয়েছে। ২৫টি স্টলে ২টি করে লিটলম্যাগাজিনকে স্থান দেয়া হয়েছে। অন্য ১৩০টি প্রতিষ্ঠান স্টল পেয়েছে।

একক ক্ষুদ্র প্রকাশনা সংস্থা এবং ব্যক্তি উদ্যোগে যাঁরা বই প্রকাশ করেছেন তাঁদের বই বিক্রি/প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের স্টলে। গ্রন্থমেলায় বাংলা একাডেমি এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫% কমিশনে বই বিক্রি করবে।
একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলা একাডেমির ১টি প্যাভিলিয়ন, ৪ ইউনিটের ২টি, একাডেমির শিশুকিশোর উপযোগী বইয়ের জন্য ১টি এবং একাডেমির সাহিত্য মাসিক উত্তরাধিকার-এর ১টি স্টল থাকবে।
এবারও শিশুচত্বর মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকবে। এই কর্নারকে শিশুকিশোর বিনোদন ও শিক্ষামূলক অঙ্গসজ্জায় সজ্জিত করা হবে। মাসব্যাপী গ্রন্থমেলায় এবারও ‘শিশুপ্রহর’ ঘোষণা করা হবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯-এর প্রচার কার্যক্রমের জন্য তথ্যকেন্দ্র থাকবে বর্ধমান ভবনের পশ্চিম বেদিতে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। এছাড়া মেলায় আগত মানুষের বসার স্থানসহ নান্দনিক ফুলের বাগানও নির্মাণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের অবাধ তথ্য আদান-প্রদানের সুবিধার্থে গ্রন্থমেলায় মিডিয়া সেন্টার থাকবে তথ্যকেন্দ্রের উত্তর পাশে-পশ্চিম পাশে। বর্তমান সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ধারণার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই কর্তৃপক্ষ গ্রন্থমেলায় তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন, তথ্যকেন্দ্রের সর্বশেষ খবরাখবর এবং মেলার মূল মঞ্চের সেমিনার প্রচারের ব্যবস্থা করবে। মেলায় ওয়াইফাই সুবিধা থাকবে।
মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার। এছাড়া মেলা প্রাঙ্গণ থেকে বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মেলার তথ্যাদি প্রতিদিন সরাসরি সম্প্রচার করবে। এফ এম রেডিওগুলোও মেলার তথ্য প্রচার করবে। গ্রন্থমেলার খবর নিয়ে প্রতিদিন বেশ কয়েকটি বুলেটিন প্রকাশিত হবে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রতিদিন মেলার তথ্য প্রচার করবে।

গ্রন্থমেলায় টিএসসি ও দোয়েল চত্বর উভয় দিক দিয়ে দুটো মূল প্রবেশপথ, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিনটি পথ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বাহিরের মোট ৬টি পথ থাকবে। বিশেষ দিনগুলোতে লেখক, সাংবাদিক, প্রকাশক, বাংলা একাডেমির ফেলো এবং রাষ্ট্রীয় সম্মাননাপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য প্রবেশের বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।

গ্রন্থমেলার প্রবেশ ও বাহিরপথে পর্যাপ্ত সংখ্যক আর্চওয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের নিরাপত্তাকর্মীবৃন্দ। নিñিদ্র নিরাপত্তার জন্য মেলায় এলাকাজুড়ে ৩ শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রন্থমেলা সম্পূর্ণ পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণ ও পাশ্ববর্তী এলাকায় (সমগ্র মেলা প্রাঙ্গণ ও দোয়েল চত্বর থেকে টিএসসি হয়ে শাহবাগ, মৎস্য ভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত এবং দোয়েল চত্বর থেকে শহিদ মিনার হয়ে টিএসসি, দোয়েল চত্বর থেকে চাঁনখারপুল, টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত) নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকবে। মেলার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত ধূলিনাশক পানি ছিটানো, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট স্থাপন এবং প্রতিদিন মশক নিধনের সার্বিক ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত স্বাধীনতাস্তম্ভ ও এর পার্শ্ববর্তী স্থানকে নান্দনিকভাবে গ্রন্থমেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এর ফলে স্বাধীনতারস্তম্ভের আলোক-বিচ্ছুরণে মেলা প্রাঙ্গণ আলোকিত হয়ে ওঠবে।

২রা ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-রাজনীতি-সমকালীন প্রসঙ্গ এবং বিশিষ্ট বাঙালি মনীষার জন্মশতবার্ষিক শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং তাঁদের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মাসব্যাপী প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, এই অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিদিনই রয়েছে কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ এবং আবৃত্তি। অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে বাংলা একাডেমি শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন, সাধারণ জ্ঞান ও উপস্থিত বক্তৃতা এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ২০১৮ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণগতমান বিচারে সেরা গ্রন্থের জন্য প্রকাশককে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ এবং ২০১৮ গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্য থেকে শৈল্পিক বিচারে সেরা গ্রন্থ প্রকাশের জন্য ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ দেয়া হবে। এছাড়া ২০১৮ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণগত মান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থের জন্য ১টি প্রতিষ্ঠানকে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ এবং এ-বছরের মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে স্টলের নান্দনিক সাজসজ্জায় শ্রেষ্ঠ বিবেচিত প্রতিষ্ঠানকে ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হবে।

এবারের গ্রন্থমেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে নতুন ও পুনর্মুদ্রিত ১০২টি নতুন বই।

মেলায় নতুন সংযোজন
প্রতিবারের নিয়মিত বিভিন্ন দিক ছাড়া এবার মেলায় অনেক নতুন বিষয় যুক্ত হয়েছে। যেমন, (১) ডিজিটাল পদ্ধতিতে মেলার আবেদনপত্র বিতরণ-গ্রহণ এবং অনলাইনে ভাড়ার অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। (২) এবার একটি নতুন থিম নির্ধারণ করা হয়েছে। এই থিম ধারণ করে গ্রন্থমেলার একটি পূর্ণাঙ্গ নকশা করা হয়েছে। স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝর এই কাজ করেছেন। শিল্পী সব্যসাচী হাজরা ও মেহেদি হক শিশুচত্বর সাজানোর কাজ করেছেন। শিল্পী লিটন কর ‘লেখক বলছি’ মঞ্চ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের তথ্যকেন্দ্র ও মোড়ক উন্মোচন মঞ্চের পরিকল্পনা করেছেন। এম এ মারুফ মূলমঞ্চের ডিজাইন করেছেন। পুরো প্রাঙ্গণ সাজানোর ব্যাপারে নিরাপদ মিডিয়া এঁদের নির্দেশেনা অনুযায়ী কাজ করেছে। (৩) এবার পরিকল্পনা এমনভাবে করা হয়েছে যাতে স্বাধীনতাস্তম্ভ ও স্তম্ভের সামনের জলাধার গ্রন্থমেলার অংশ হয় এবং এটি ইতোমধ্যে সবার প্রশংসা অর্জন করেছে। মূল থিমের ধারণা তুলে ধরার জন্য মেলার উভয় অংশে পাঁচজন ভাষাশহিদ, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ, বাংলা একাডেমি ও বইমেলা এবং স্বাধীনতাস্তম্ভ এসব বিষয়ে তথ্যসম্বলিত প্ল্যাকার্ড মেলায় স্থাপিত হয়েছে। এর ফলে গ্রন্থমেলার মূল থিম যেমন প্রতিফলিত হবে তেমনি নবপ্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা মেলায় আরও বেশি করে নিজেদের যুক্ত হতে এবং বাহান্ন ও একাত্তরের চেনায় ঋদ্ধ হওয়ার সুযোগ পাবে। (৪) মেলার একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান উভয় অংশের মূল প্রবেশপথে বৃহৎ এলইডি মনিটর থাকবে। এতে মেলার ম্যাপ, দিক-নির্দেশনা ও জরুরি তথ্য প্রদর্শিত হবে। এর ফলে পাঠক-ক্রেতা মেলার বিন্যাস সম্পর্কে প্রথমেই ধারণা পাবেন। (৫) ‘লেখক বলছি’ নামে নতুন একটি মঞ্চ থাকছে। এই মঞ্চে প্রতিদিন ৫ জন লেখক তাঁদের বই নিয়ে পাঠকের মুখোমুখি হবেন। প্রত্যেক লেখক ২০ মিনিট করে সময় পাবেন। (৬) শিশু-কিশোরদের মধ্যে যারা লেখালেখি করে সেই ক্ষুদ্র লেখকদের উৎসাহিত করার জন্য এবার বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। (৭) শিশু চত্বর বিশেষভাবে সাজানো হবে। পুরো প্রাঙ্গণ নতুনরূপে সেজে উঠবে। শিশুচত্বরে ‘তারুণ্যের বই’ নামে একটি বিষয় যুক্ত হবে। শিশুপ্রহরের দিনগুলোতে ‘তারুণ্যের বই’ ব্যানারে শিশু-কিশোরদের বইপাঠে উৎসাহিত করা হবে। (৮) নামাজের ঘর ও টয়লেট ব্যবস্থা সম্প্রসারিত ও উন্নত করা হয়েছে। মহিলাদের জন্য সম্প্রসারিত নামাজ ঘর থাকবে। স্থায়ী টয়লেট ছাড়া সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ টয়লেট স্থাপিত হবে। (৯) শিশু চত্বরে বাংলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ব্রেস্টফিডিং কর্নার থাকবে। একই সঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কাছে আরেকটি ব্র্যাস্টফিডিং কর্নার থাকবে। (১০) প্রতি বছরের মতো এবারও হুইল-চেয়ার সেবা থাকবে। তবে গতবারের চেয়ে বেশি সংখ্যায় স্বেচ্ছাসেবী এ-কাজে নিয়োজিত থাকবেন। এবার হুইল চেয়ারের সংখ্যাও বাড়বে।

গ্রন্থমেলার সময়সূচি
গ্রন্থমেলা ১লা থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বেলা ১১:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৮:০০টা থেকে রাত ৮:৩০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

Facebook Comments